লন্ডন ডেস্ক :: উত্তর আয়ারল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য আয়ারল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত বেষ্টনি নির্মাণ ঠেকানোর জন্য তথাকথিত ব্যাকস্টপ চুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য একতরফাভাবে কোনও কৌশল নির্ধারণ করতে পারে না বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী দামিয়ান হিন্ডস। রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র অ্যান্ড্রু মার শো অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেছেন। হিন্ডসের এমন মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে ইউরোবিরোধীদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ভবিষ্যতে ভূ-খণ্ড দুটির মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্তের নিশ্চয়তা থাকার মতো সম্পর্ক না থাকলে তার একটি বিকল্প উপায় হিসেবেই এই ব্যাকস্টপ উদ্যোগ নেওয়া চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অনেক কনজারভেটিভ সদস্য আশঙ্কা করছেন, এটা যুক্তরাজ্যকে অনিশ্চিতভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শুল্ক ইউনিয়নের আওতায় ফেলে দিতে পারে। হিন্ডস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে এমন কিছু নিয়ে আলোচনা করতে হবে যা অন্যপক্ষের সঙ্গে আলোচনার যোগ্য আর এখানকার মানুষের জন্যও কাজে দেবে। যদি আমরা খুবই কঠোর অবস্থান নেই যে, আমাদের অবশ্যই একটি সম্পূর্ণ একতরফা প্রস্থান করতে হবে বা একেবারে নির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সমাপ্তির দিন নির্ধারণ করি, তাহলে তা নিয়ে অপর পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা সম্ভব হবে না।’ হিন্ডস আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানকার মানুষ এখন স্বস্তি আর বিশ্বাস চায় যাতে এটা অশেষ কোনও বিষয় হয়ে না পড়ে। জনগণকে অবশ্যই এই স্বস্তি ও বিশ্বাস দেওয়ার জন্য উপায় খুঁজে বের করতে হবে। তবে তা কেমন হবে তাই এখন আলোচনার মূল বিষয় হওয়া দরকার।’ সূত্র: রয়টার্স। সংবাদ বাংলা ট্রিবিউন থেকে নেয়া ।

লন্ডন ডেস্ক :: উত্তর আয়ারল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য আয়ারল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত বেষ্টনি নির্মাণ ঠেকানোর জন্য তথাকথিত ব্যাকস্টপ চুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য একতরফাভাবে কোনও কৌশল নির্ধারণ করতে পারে না বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী দামিয়ান হিন্ডস। রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র অ্যান্ড্রু মার শো অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেছেন। হিন্ডসের এমন মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে ইউরোবিরোধীদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ভবিষ্যতে ভূ-খণ্ড দুটির মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্তের নিশ্চয়তা থাকার মতো সম্পর্ক না থাকলে তার একটি বিকল্প উপায় হিসেবেই এই ব্যাকস্টপ উদ্যোগ নেওয়া চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অনেক কনজারভেটিভ সদস্য আশঙ্কা করছেন, এটা যুক্তরাজ্যকে অনিশ্চিতভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শুল্ক ইউনিয়নের আওতায় ফেলে দিতে পারে। হিন্ডস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে এমন কিছু নিয়ে আলোচনা করতে হবে যা অন্যপক্ষের সঙ্গে আলোচনার যোগ্য আর এখানকার মানুষের জন্যও কাজে দেবে। যদি আমরা খুবই কঠোর অবস্থান নেই যে, আমাদের অবশ্যই একটি সম্পূর্ণ একতরফা প্রস্থান করতে হবে বা একেবারে নির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সমাপ্তির দিন নির্ধারণ করি, তাহলে তা নিয়ে অপর পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা সম্ভব হবে না।’ হিন্ডস আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানকার মানুষ এখন স্বস্তি আর বিশ্বাস চায় যাতে এটা অশেষ কোনও বিষয় হয়ে না পড়ে। জনগণকে অবশ্যই এই স্বস্তি ও বিশ্বাস দেওয়ার জন্য উপায় খুঁজে বের করতে হবে। তবে তা কেমন হবে তাই এখন আলোচনার মূল বিষয় হওয়া দরকার।’ সূত্র: রয়টার্স। সংবাদ বাংলা ট্রিবিউন থেকে নেয়া ।